হাওরাঞ্চল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী ও বাজিতপুর ৫- আসনের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও নিকলী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী মো. মাসুক মিয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
উপজেলার সর্বত্র এখন তার নেতৃত্বে চলছে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ ও জনসভা।
তৃণমূল জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে তিনি তুলে ধরছেন বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।
হাজী মো. মাসুক মিয়া বলেন,আমার রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের সেবার জন্য।
আমি চাই— নিকলী ও বাজিতপুরের মানুষ যেন উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সুষ্ঠু প্রশাসনের স্বাদ পায়।৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলেই এই এলাকাকে একটি মডেল অঞ্চলে রূপান্তর করা সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন,আমি জনগণের দোয়ায়, ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত।
লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগে দেখছি, মানুষ পরিবর্তন চায়— তারা ন্যায়বিচার, উন্নয়ন ও সুশাসন চায়।
আমি তাদের পাশে থেকে এই দাবি পূরণে কাজ করে যাব।”
নিকলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জনসভাগুলোতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেছে।
গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে বাজার ও জনপদ— সর্বত্রই হাজী মো. মাসুক মিয়ার নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
এক তরুণ ভোটার বলেন,হাজী মাসুক ভাই সত্যিই জনগণের পাশে আছেন।
তিনি শুধু কথা বলেন না, বাস্তবেই মানুষের মাঝে কাজ করছেন।আমরা বিশ্বাস করি, উনার মতো নেতাই এলাকার উন্নয়ন ঘটাতে পারবেন।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মাঠপর্যায়ে লাগাতার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ এবং ধারাবাহিক জনসভা হাজী মো. মাসুক মিয়ার জনপ্রিয়তাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
তৃণমূল জনগণের সঙ্গে তার আন্তরিক সম্পর্কই ভবিষ্যতের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে বলে তাদের অভিমত।
সমাপনী মন্তব্য:জনগণের আস্থা, তৃণমূলের ভালোবাসা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার— এই তিন শক্তিতে বলীয়ান হাজী মো. মাসুক মিয়া আজ নিকলী-বাজিতপুর ৫-আসনের জনগণের প্রিয় নাম।
৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নকে সামনে রেখে তার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ ও জনসভা ইতোমধ্যে এলাকাজুড়ে জনআন্দোলনের রূপ নিয়েছে।জনগণের প্রত্যাশা— এই জনপ্রিয় নেতা ভবিষ্যতে এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।