কিশোরগঞ্জের নিকলীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) জেলা বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল নিকলীতে আসে। দলে ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী ইসরাইল মিয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল্লাহ কায়সার শহীদ।
প্রতিনিধিদল দুপুরে সংঘর্ষস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষের নেতাকর্মী, প্রত্যক্ষদর্শী, এলাকাবাসী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন এবং এসিল্যান্ড প্রতীক দত্তকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান।
তদন্ত দলের সদস্য হাজী ইসরাইল মিয়া বলেন, দলের চেয়ারপারসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে এবং অন্যায়কারীদের ছাড় দেওয়া হবে না। দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে ১২ আগস্ট বিকেলে ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম সোহেলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুল মোমেন মিঠুর উদ্যোগে দুই পক্ষকে শান্ত করা হয়।
জেলা বিএনপির নির্দেশে গঠিত তদন্ত দল ঘটনাটির প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দেওয়া হবে।
এদিকে সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিকলী থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দিন।